গোপাল তখন ছোট। গুরুদেবের সাথে থেকে দীক্ষা নিচ্ছে।
কোনো এক একাদশীর দিন গোপাল দেখে উপবাস শেষে গুরুদেব ষোলো প্রকারের পদ দিয়ে সেই রকমের ভোজ দিচ্ছেন। গুরুদেবের খাবারের বহর দেখে গোপাল ঠিক করে ফেলে আগামীবার গুরুদেবের সাথে উপবাস দিতে হবে। উপবাসের অজুহাতে যদি ষোলো পদের ভোজ পাওয়া যায় তবে কষ্টের চেয়ে লাভই বেশি!
সেই পরিকল্পনা মতো সামনের একাদশীতে গোপালও গুরুদেবের সাথে উপবাস করে বসে রইলো। কিন্তু বেলা গড়িয়ে যায় গুরুদেব আর জলযোগে যান না! শেষ-মেষ ক্ষুধার জ্বালায় আর থাকতে না পেরে গোপাল জিজ্ঞেসই করে বসে, ‘গুরুদেব, বেলা হয়ে গেলো, জলযোগ করবেন না?’
গুরুদেব স্মিত হেসে বলেন, ‘ওরে আহাম্মক, আজ যে ভীম একাদশী… নিরম্বু উপবাস।’
No comments:
Post a Comment
Comment of this content!