Thursday, November 10, 2011

ঘরে বসেই সাবলম্বী হোন!!

নিশ্চয় নেটে বসলে আপনার ২-৩ ঘন্টা অথবা করো ঘন্টার পর ঘন্টা চলে যায় Facebook বা Yahoo messenger নিয়ে তাই নয় কি? অথচ আপনি চাইলেই আপনার ইন্টারনেটের উপর সামান্য জ্ঞান দিয়েও আয় করতে পারেন মোটা অংকের টাকা!!!! আপনি কি জানেন আমাদের পাশ্ববর্তী ভারতের অনেক লোক ইন্টারনেটে প্রতি বছরে আয় করছে হাজার হাজার ডলার। এই জন্য আবশ্যই ধর্য্যশীল ও একাগ্রয়ী মনোভাবের হতে হবে। আমি এখন আপনাদের এমন একটি Website এর নাম বলব যারা তাদের কাছে আসা Add. গুলোতে Click করলে তারা তার বিনিময়ে আপনাকে ডলার দিবে।এর জন্য অবশ্যই আপনাকে তাদের website এ Registration করতে হবে। এবং একটি Online Bank account খুলতে হবে। আপনি ডবনংরফব টিতে মেম্বার হওয়ার পর আপনার জন্য নূন্যতম ১০ টি পর্যন্ত অফফ এ ঈষরপশ করার সুযোগ থাকবে। যার প্রতিটির জন্য আপনি পাবেন .০১৳ (ডলার)। সব চেয়ে এর একটি বড় সুবিধা হচ্ছে এত আপনি অন্যকে Reference করতে পারবেন। যা আপনার আয়কে আরো দ্বিগুন করবে। আপনি ১ মাসে কি পরিমাণ আয় করতে পারেন ২১০০ টাকা-১০৫০০০ টাকা বিস্তািরত জানতে http://www.coolbd.webs.com/bangla.htm

From:  haruncpi

মনে জাগে এক প্রশ্ন

তোমাদের জন্য কবিতা লিখে যদি কোনদিন যেতে হয় মোরে ঐ অন্ধকার কারাগারে! থাকতে যদি হয় দিবস- রজনী শোষকের গো ভাগারে ! যাবে কি দেখতে কভু তোমরা বিদ্রোহী এই আমাকে ? আমার কোন প্রিয়া ছিল না পাইনি কভু ভালোবাসার চুম্বন তোমাদের কারণে বারবার ব্যাকুল হইয়া উঠিত আমার মন । যেখানে দেখিবে কোন অন্যায়, কোন অনাচার সেখানেই পাইবে শুনিতে আকাশে বাতাসে সকল কবিতা আমার !! ঘরে আমার রাখিয়া আসিয়াছি বৃদ্ধ পিতা- মাতা , আমারই কারণে তাদের ঝরিত অশ্রু বুকে চেপে রাখিয়া দিত সর্বদা সকল দুঃখ-গাঁথা। মাকে আমার শুনাতে যেওনা কোনদিন মিথ্যে সান্ত্বনার বানী কারণ তিনি সাধারণ কেহ'না তিনি মোর দুখিনী বঙ্গ মাতা। ফজলে এলাহি (কবি ও কাব্য) ০৩.০৬.১১

From:  Kobi O kaboo

সুখে থেকো ma

সুখে থেকো রোজ সকালে; পূবের আকাশ তখনও লাল হয়নি, দরজায় শব্দ । বুজতে পারি পেপার বয় কাগজ ছুড়ল। রোজ, প্রতিদিন। ভোরে উঠলে মাঝে মাঝে ওর সাথে দেখা হয়। কথা হয়না। মলিন হাসি , দ্রুত সাইকেল চালিয়ে অন্য দরজায়। বয়স ১৪-১৫ হবে , নাম...।এদের অনেকের মত একটা আছে। তবে দরকার না পরলে মনে রাখিনা আমরা । কেন জানিনা ! একদিন আমার বউকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি ওর নাম সোনাই । আদর করে বাড়িতে সোনা বলে ডাকে ।আসে পাশের কোন বস্তিতে থাকে । মাসের শেষে কাগজের টাকা নিতে আসে । ব্যাস , আমার বউ এর বেশি জানতে চায় না । কোন কারণে কাগজ না এলে বা হিসেবে ভুল হলে যাতে - “সোনাই...।” বলে হাঁক পেরে দুটো কথা শোনাতে পারে। হঠাৎ আমার ভীমরতি হোল কিনা জানি না , সোনাই এর সাথে কথা বলার ইচ্ছা হল । এরকম আমার মাঝে মাঝে হয় । বোকা বোকা ইচ্ছা । শুনলে কেউ ভাববে – কেন বাবা নাটক করছ? দেখাতে চাও তুমি অদের জন্য খুব আন্তরিক ? সোনাই এর সাথে কথা বলে কি বোঝাতে চাও ? না না সত্যি বলছি আমি কিছু বোঝাতে চাই না । আমরা সবাই জানি ও দরজায় দরজায় কাগজ বিলি করে । এটাই ওর কাজ । একটু বড় হতেই আমরা ওকে এই কাজ দিয়েছি। লেখা পড়া ? হিসেব করতে জানে । একদিন সামনের বাড়ির ভদ্রমহিলা একটু গলা উঁচিয়ে – “ বাঃ বাঃ, তুই দেখছি ভাল হিসেব জানিস ! ১৫০ টাকা দিয়েছি আর ২ টাকা দিতে হবে, তাইতো? ” “হ্যাঁ কাকিমা । নাহলে মালিক আমার থেকে ২ টাকা কেটে নেবে। কত আর পাই বলুন।” ও হিসেব ঠিক বলায় ভদ্রমহিলা যেন একটু বিরক্ত হলেন। গড় গড় করে ভিতর থেকে একটা ২ টাকার কয়েন এনে—“ এই নে, হিসেবটা ঠিকমত করবি ” ভাবটা এমন যেন দয়া করে ২ টাকা দিল। আবার সেই একচিলতে মলিন হাসি—“ঠিক আছে কাকিমা”। যেন ওই ভুল করেছে । ও জানে, ওর প্রতিবাদ করা চলেনা । কাকিমা রেগে গেলে......। রোজই ভাবি সামনের রবিবার সোনাইকে ডেকে বসিয়ে কথা বলব। কিন্তু রবিবার ঘুম থেকে উঠতে বড্ড দেরি হয়। ততক্ষণে কাগজ দিয়ে ও চলে যায় । না এভাবে হবেনা । সোনাইকে ধরতে হলে ভোরবেলা উঠতে হবে । একদিন দেখা হোল—“সোনাই তোমার সঙ্গে কথা আছে । আসবে একবার । ” সাইকেলটা ঘুরিয়ে গেটের কাছে এসে—‘বলুন ’ “ না না একটু সময় চাই । বিকেলে আসতে পারবে ?” “ ঠিক আছে । মায়ের শরীরটা আবার ভাল যাচ্ছে না । চেষ্টা করব আসতে ।” সাইকেলের প্যাডেলে চাপ দিয়ে দ্রুত চলে যায় । আমার ভাবনায় ঘুরপাক খাচ্ছে কিছু জানার প্রবল বাসনা । কোন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার কিংবা বাহবা পাবার মত কিছু নয় । মূল্যহীন জীবনের একটুকরো গল্প । সেদিন বিকেলে আসেনি ও । তারপর আমিও ব্যস্ত হয়ে পরি । সময় এগিয়ে চলে । একদিন বিকেল বেলা , একটু একটু অন্ধকার নেমেছে , রাস্তার আলো তখনো জ্বলেনি । একটা সাইকেল এসে গেটের কাছে দাঁড়ায় । আমি বারান্দায় বসে – ‘ কে ? ’ গেট খুলে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে । উঠে গিয়ে বাইরের আলোটা জ্বেলে --- বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে ওঠে । একরাশ এলো মেলো শুষ্ক চুল , খালি গায়ে সাদা থান পরে আমার সামনে দাঁড়িয়ে সোনাই । কিছু বলার আগেই হাউ হাউ করে কেঁদে ওঠে । হাত ধরে বারান্দায় বসিয়ে –‘ কি হয়েছিলো ? ’ ‘ মাঝে মাঝে পেটে ব্যথা হত । সরকারি হাসপাতালের ওষুধ খেত । তাই নিয়েই রোজ সকালে বাবুদের বাড়িতে কাজে যেত । ’ বলত – ‘ তুই ভাল করে কাজ কর । বোনটার ভাল করে বিয়ে দিতে হবে । তারপর তোর । তখন আমি আর কাজ করব না । ’ ‘ এখন বোনটাকে নিয়ে !!!! ’ – এতক্ষণে চোখের জল শুঁকেয়ে গেছে । চিন্তার ভাঁজ কপালে । হঠাৎ উঠে পড়ে –‘ যাই বাবু , পাড়ার কাকিমারা বলছিল বামুন ডেকে মায়ের ঘাট কাজ করতে ।নাহলে মা-নাকি মরেও শান্তি পাবেনা । আমি তো কিছু জানিনা । ওরা যা বলবে ’ ‘ কেন , বাবা আছে তো ? ’ মুখটা নিচু করে চুপ করে থাকে । বুঝতে পারি এর পরের প্রশ্ন অবান্তর । হয়ত ওর বাবা আছে , হয়ত বা নেই । অন্য কোথাও , অন্য কারও সঙ্গে । এইটুকু বুজতে পারি মায়ের মৃত্যুর পরে ছোট্ট বোনের অসহায় হাত ধরে ও একা দাঁড়িয়ে । মানি ব্যাগ থেকে পাঁচশ টাকার একটা নোট বার করে- ‘ এটা রেখে দে , মায়ের কাজে লাগবে । ’ মাথা নিচু করে প্রণাম করতে এলে বাঁধা দিয়ে – ‘ এসময় প্রণাম করতে নেই, মা কষ্ট পাবে ।’ ও সাইকেলের দিকে এগিয়ে যায় । ‘ খবরের কাগজের কাজ টা ছেরনা , কেমন । মায়ের কাজ হয়ে গেলে দেখা করো ।’ ‘ আচ্ছা বাবু । ’ সোনাই চলে যায় । মনটা ভীষণ ভারাক্রান্ত । ছোটবেলায় “অভাগীর স্বর্গ” পড়ে খুব কষ্ট হয়েছিল । আজও সোনাইএর মত কত অভাগীরা একা অসহায় দৃষ্টি মেলে মায়ের স্বর্গ যাওয়া দেখে আর বলে – “মা তুমি সুখে থেকো । ”

অনলাইন আর্নিং এখন আর অবাস্তব কিছু নয়

HOME PAGE 1/অনলাইন আর্নিং এখন আর অবাস্তব কিছু নয় অনলাইন আর্নিং এখন আর অবাস্তব কিছু নয় এবং এর অনেক পথই খোলা আছে। তবে কিছু কিছু ভাই বুঝে হোক না বুঝে হোক আর সঠিক আরনিং সাইট না চিনেই হোক স্কাম বা ভুয়া সাইটের লোভনীয় আয়ের প্রচার চালিয়ে যেমন নিজেও হয়রান এবং বিভ্রান্ত হন, তেমনি আমাদেরও রীতিমত ধোকায় ফেলে দেন। তাই আমি আজ আসল অনলাইন আরনিং সাইটের পরিচয় ও পদ্ধতি সম্পর্কে বলবো যাতে কেউ প্রতারিত না হন। আর আপনি চাইলেই অনলাইন থেকে আর্ন করতে পারবেন, তা ১০০% নিশ্চিত click here read more 2/চ্যাটিং এর মাধ্যমে যত খুশী আয় করা যায় !! চ্যাটিং এর মাধ্যমে আয় করুন!! যদি কেউ চ্যাট করতে পছন্দ করেন তাহলে চ্যাট করেই আয় করাযায়। click here read more 3/ফাইল আপলোড করে অনলাইনে আয় করুন ইন্টারনেটে আয়ের অনেকগুলো পদ্ধতির মধ্যে ফাইল আপলোড করে আয় হল অন্যতম। ফাইল আপলোড করে আয় করতে হলে প্রথমে আপনাকে এই সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে আপনার ফাইল আপলোড করতে হবে। আপনার আপলোডকৃত ফাইল সমূহ যত ডাউনলোড হবে ততোই আপনার আয় বৃদ্ধি পাবে। অবশ্য বন্ধুদের রেফার(Refer) করে রেফারাল(Referral) পদ্ধতির মাধ্যমেও আপনি এই click here read more 4/সবার জন্য মাইক্রো জব এক একটি কাজ করতে ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। প্রতিটি কাজের মূল্য ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১.৭৫ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাইটে প্রতিদিনই নতুন নতুন কাজ আসে। click here read more এর দ্বারা পোস্ট করা CYBERKING এই সময়ে ১১:৫৬ pm প্রতিক্রিয়া: 0 মন্তব্য(সমূহ) এই পোস্টে লিঙ্ক এটি ইমেল করুন এটি ব্লগ করুন! Twitter-এ ভাগ করুন Facebook-এ ভাগ করুন

From:  nur9

এক টুকরো চিঠি......

প্রিয় ভালোবাসা,
কেমন আছো তুমি? কতদিন দেখিনা তোমায় বলোতো? কত কথা জমে আছে, কত কথা যে মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে, তা বলে বোঝাতে পারবোনা....তাই আজ দু কলম লিখতে বসলাম।
কিন্তু কি লিখব কিছুই ভেবে পাচ্ছিনা । তোমার চোখে চোখ পড়লে যেমন আমার পৃথিবীটা স্তব্ধ হয়ে যেত, এখনো ঠিক তাই হয়েছে । কলম টা যেন চলতেই চাইছেনা । খুব অভিমান জমে আছে তোমার উপর। কেন ছেড়ে গেলে আমায় বলোতো?
তোমার মনে আছে, যেদিন প্রথম দেখা হয়েছিল আমাদের, সেদিন কি লজ্জাটাই না পাচ্ছিলে তুমি। আর আমি মেয়ে হয়ে সেটা খুব উপভোগ করছিলাম। আর মনে মনে ভাবছিলাম, এত্ত সুইট একটা মানুষ আমার জীবনে এসেছে? ধীরে ধীরে তোমাকে খুব বেশী ভালোবাসতে শুরু করলাম। মাঝে মাঝে নিজের উপর ই রাগ লাগতো যে এত কেন ভালোবাসি তোমায়?
তারপরের দিনগুলো আমার কাছে স্বপ্নের মতো। ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা, টুকরো টুকরো মান অভিমান, তোমার দেয়া একটু কষ্টেই অনেকখানি অশ্রু ঝরানো, আবার সব মান অভিমান ভুলে হাত ধরে একই পথে চলা, দিন গুলো কতই না মিষ্টি ছিল আমার কাছে, হয়তো তোমার কাছেও। ৫ ঘন্টা জার্নি শেষে যখন তোমার কাছে পৌছাতাম, তোমার হাতে হাত রাখার সাথে সাথেই সব কষ্ট শেষ!
তুমি আমায় কি বলে ডাকতে মনে আছে? "সোনাবউ"। তোমার মুখে ঐ সোনাবউ ডাকটা শুনলে মনে হতো পৃথিবীর সব কিছু ছাড়তে পারবো।
তোমার মনে পড়ে, আমি যখন কোনো কিছু নিয়ে বায়না ধরতাম, পূরন না করনে ঠোট বাঁকিয়ে বসে থাকতাম, তখন তুমি আমার কাছে এসে আলতো করে আমার মুখটা ধরতে। আমার চোখে চোখ রাখতে, আমি এক গভীর অনুভবে চোখ বন্ধ করে ফেলতাম। তারপরঃ......

সেই দিনগুলো আমার জীবন থেকে কেন হারিয়ে গেল বলোতো? কেন আজ কোথায় খুজে পাইনা তোমাকে???
তুমি জান, তোমাকে ছাড়া আজ প্রতিটা মুহুর্ত আমার কিভাবে কাটে? তোমার দেয়া প্রতিটা স্মৃতি জড়িয়ে ধরে কাঁদা ছাড়া আমার আজ আর কিছুই করার নেই। ভীষন একলা লাগে রে সোনাপাখি। তোমার সোনাবউ টা অনেক বদলে গেছে। সে আর এখন বেশী বেশী আইসক্রিম খায়না, ফুচকার দোকানেও যায়না। কারো সাথে দুষ্টোমিও করেনা। অনেক বদলে গেছে সে। কিন্তু তোমার বউটা একটা জায়গায় ঠিক আগের মতোই আছে। সে এখনো তোমাকে ঠিক
 আগের মতই ভালোবাসে...।
খুব ভালোবাসি গো তোমায়.... খুব ভালোবাসি.....~*~

From:  Israt Jahan Nisha