Friday, November 25, 2011

একটি সুসংবাদ ও একটি দুঃসংবাদ

চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
রোগী: আচ্ছা, আমি হাসপাতালে কেন? কীভাবে এখানে এলাম?
চিকিৎসক: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর আপনাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।
রোগী: কী ঘটেছিল?
চিকিৎসক: ওসব বাদ দেন। আপনার জন্য একটি সুসংবাদ ও একটি দুঃসংবাদ আছে। বলেন কোনটা আগে শুনতে চান?
রোগী: দুঃসংবাদটিই আগে শুনি।
চিকিৎসক: হুম্ম। দুর্ঘটনায় আপনার পা দুটিতে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিল। তাই আপনার দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়েছে।
রোগী: হায়! আর সুসংবাদটি কী?
চিকিৎসক: সুসংবাদটি হলো, পাশের ওয়ার্ডের এক রোগী আপনার স্যান্ডেল জোড়া চড়া দামে কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এই অফারে বেচবেন কি না, ভেবে দেখেন। কারণ, এ সুযোগ আর পাবেন না।

কোথায় গেল সে!

সেলুনে ব্যাপক ভিড়। ক্ষৌরকার জ্যাকোবের দম ফেলার সময় নেই। এমন সময় বাবরিচুলের এক আউলা-ঝাউলামতো লোক এসে বলল, ‘সবার চুল-দাড়ি কাটতে আর কতক্ষণ লাগবে তোমার?’
জ্যাকোব বসে থাকা সবাইকে দেখে বলল, ‘এই ধরো আর ঘণ্টা দুয়েকের মতো।
আচ্ছা ঠিক আছে, আমি না হয় দুই ঘণ্টা বাদেই আসি।বলে বাবরিচুলের সেই লোক বিদায় নিল তো নিল, সেদিন আর এলই না।
সপ্তাহ না ঘুরতে একই কাণ্ড। লোকটা এল, লম্বা লাইন দেখে কতক্ষণ লাগবে শুনে বিদায় নিল। এবং যথারীতি ফিরে এল না। এমন করে আরও দুবার বাবরিচুলের লোকটা মুখ দেখিয়েই বিদায়! তো শেষে লোকটার অমন সন্দেহজনক আচরণ দেখে পঞ্চম দিন তার পেছনে পিকো নামের এক ছেলেকে লাগিয়ে দিল জ্যাকোব, ‘যাও তো, দেখে এসো, ব্যাটা কই যায়, কী করে।ঘণ্টাখানেক বাদে পেছনে লাগানো সেই টিকটিকিটি এসে হাঁপাতে লাগল।বিষয়টা কী? কী দেখলে তুমি, কোথায় গেল সে?’
কী আর দেখব, তোমার বাড়িতে গেল সে!’ ‘কেন, আমার বাড়িতে কেন?’ পিকো ছেলেটা তখনো হাঁপাচ্ছিল, ‘কেন আবার, চুরি করতে!’

সব বাজিয়ে নিতে বলেছে!


গৃহকর্তাঃ (ঘুমের ঘোরে) কে ওখানে?
চোরঃ আমি হ্যাবলা চোর।
গৃহকর্তাঃ ওখানে কী করিস?
চোরঃ চুরি করছি।
গৃহকর্তাঃ চুরি করবি তো হারমোনিয়াম বাজাচ্ছিস কেন?
চোরঃ আমাদের সর্দার যা নেব সব বাজিয়ে (পরখ করে) নিতে বলেছে। তাই হারমোনিয়াম বাজিয়ে নিচ্ছি

বলদের মতো চারটা পা!

গোপালের তখন বয়স হয়েছে। চোখে ভালো দেখতে পারে না। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র বললেন, কী গোপাল, গতকাল আসনি কেন?
—আজ্ঞে চোখে সমস্যা হয়েছে। সবকিছু দুটো দেখি। কাল এসেছিলাম। এসে দেখি দুটো দরবার। কোনটায় ঢুকব, ভাবতে ভাবতেই…।
—এ তো তোমার জন্য ভালোই হলো। তুমি বড়লোক হয়ে গেলে। আগে দেখতে তোমার একটা বলদ, এখন দেখবে দুটো বলদ।
—ঠিকই বলেছেন মহারাজ। আগে দেখতাম আপনার দুটো পা, এখন দেখছি চারটা পা…ঠিক আমার বলদের মতোই! 

গুলিস্তানের পকেটমার!

গুলিস্তানের পকেটমারদের সুনাম শুনে এক লোক গুলিস্তানে এল ব্যাপারটা দেখার জন্য। সে বুক পকেটে একটা একশ টাকার নোট নিয়ে সারা গুলিস্তানে ঘুরে বেড়াতে লাগল। সারা দিন কেটে গেল কিন্তু কোনো খবর নেই। পকেটের টাকা পকেটেই পড়ে রইল। সন্ধ্যায় একটা পান দোকান থেকে পান কিনতে কিনতে দোকানদারকে বলল, কই গুলিস্তানের পকেটমাররা নাকি দেশের সেরা কিন্তু তার তো কোনো পরিচয় পেলাম না। একটু দূরে দাঁড়ানো এক ছেলে তখন বলল, জাল নোট নিয়ে ঘুরে বেড়ালে কে আপনার পকেট মারবে?

দৌড় প্রতিযোগিতা!

একটা কাপ নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরে ঢুকল স্বামী। তাই দেখে তার স্ত্রী বলল, ‘একি! এত হাঁপাচ্ছ কেন? এই কাপটাই বা কোথায় পেলে?’
স্বামী: দৌড় প্রতিযোগিতায় দুজনকে হারিয়ে এটা পেলাম।
স্ত্রী: মাত্র তিনজন নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা?
স্বামী: হ্যাঁ, প্রথমে আমি, তারপর পুলিশ আর সবার পেছনে এই কাপটার মালিক।

স্ত্রীকে ফেরত দিতে!

মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামাল ট্রাফিক পুলিশ, বলল, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি?
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বলল, আসলে হয়েছে কি,
গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে।
তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন।